মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১২

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে অনিশ্চয়তা

বুয়েট-ইসি দ্বন্দ্ব
নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে অনিশ্চয়তা
লিংকন মাহমুদ
ঢাকা, ১২ নভেম্বর: আসন্ন টাঙ্গাইল-৩, রংপুর এবং সব স্থানীয় নির্বাচনসহ জাতীয় নির্বাচনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যলয়ের (বুয়েট) ইন্সটিটিউশন অব ইনফরমেশন-কমিউনিকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি (আইআইসিটি) ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মধ্যকার দ্বন্দ্বে এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।  নির্বাচন কমিশন ও বুয়েটের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বুয়েটের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। ইভিএম নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্দ্বের বিষয়টি এতদিন চাপা থাকলেও এখন তা স্পষ্ট হয়ে ওঠেছে। নির্বাচন কমিশন টাঙ্গাইল ও রংপুর নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের ঘোষণা দিলেও শেষ পর্যন্ত এর ব্যবহার নিয়ে হতাশায় ভুগছে স্বয়ং ইসি।

ইসি সূত্র জানায়, বুয়েটের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কয়েকটি বিষয় নিয়ে দ্বন্দ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ইভিএম মেশিনে দেশীয় ব্যাটারি ব্যবহার করা হবে নাকি বিদেশী ব্যাটারি, মেশিন তৈরির জন্য কারা টিম গঠন করবে, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত কতগুলো ইভিএম মেশিন তৈরি করা হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ইসির সঙ্গে বুয়েটের সংশ্লিষ্ট বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ প্রকাশ্য রুপ লাভ করেছে।

সূত্র আরো জানায়, নির্বাচন কমিশন আর্থিক বিষয়টি বিবেচনা করে দেশীয় ব্যাটারি ব্যবহারের প্রতি জোর দিচ্ছে। এ ব্যপারে তারা নীতিগত সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছে। কিন্তু বুয়েট বলছে দেশীয় ব্যাটারিতে ইভিএম মেশিন ব্যবহার সম্ভব নয়। প্রথম থেকেই বুয়েট চীনের একটি কোম্পানির ব্যাটারি ব্যবহার করছে। এখন হঠাৎ করে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে গেলে অনেকগুলো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ এ বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বুয়েটের সঙ্গে ইসির কিছু বিষয়ে দ্বিমতের কথা স্বীকারও করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ইভিএম মেশিন ব্যবহার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইনস্টিটিউশন অব ইনফরমেশন-কমিউনিকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি (আইআইসিটি)’র অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ইভিএম মেশিন তৈরির প্রথম থেকেই আমরা চীনের একটি ব্যাটারি ব্যবহার করছি। মেশিনের সার্কিট বানানো থেকে এ পর্যন্ত অন্য কোন ব্যাটারি আমরা ব্যবহার করিনি। তাই দেশীয় কোন ব্যাটারি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আমাদের নাই। কিন্তু এখন হঠাৎ করে ইসি বলছে দেশীয় ব্যাটারি ব্যবহারের কথা। যা একেবারেই অসম্ভব। তিনি বলেন, বর্তমানে ইসির হাতে মাত্র ১১শ’ মেশিন রয়েছে। এ মেশিনের জন্য যে ব্যাটারি লাগবে তার দাম মাত্র ১৪লাখ টাকা।

আট দলকে ইসির চরমপত্র

আট দলকে ইসির চরমপত্র
লিংকন মাহমুদ
 
ঢাকা, 13 নভেম্বর : জামায়াতে ইসলামীসহ আট রাজনৈতিক দলকে গঠনতন্ত্র সংশোধনে চরমপত্র দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গঠনতন্ত্র সংশোধনে দলগুলোকে আগামী মাসের (ডিসেম্বর) ৫ তারিখ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার ইসির সচিবালয় থেকে দলগুলোকে চিঠি দিয়ে এ চরমপত্র জানিয়েছে। ইসির একাধিক সূত্রে এর সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে জামায়াত ইসলামী দলের পক্ষ থেকে ইসির চিঠি প্রত্যাহার করার জন্য বলা হয়েছে। তাদের দাবি দলের শীর্ষ নেতারা কারাগারে থাকায় এই মুহুর্তে গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনা সম্ভব হচ্ছে না।

জামায়াতে ইসলামী বাদে বাকি সাত দল হলো- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি, একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়ত-ই-উলামা বাংলাদেশ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট  ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।

জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর ইসলামী ঐক্যজোট ও জমিয়ত-ই-উলামা ইসলামকে কমিশন সচিবালয় থেকে এ তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ৩০ দিনের মধ্যে এ সংশোধনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।


জামায়াতের গঠনতন্ত্রে ত্রুটি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ সাংবাদিকদের জানান, দলটি এর আগে জানিয়েছিল যে, তারা তাদের মজলিশে সুরার মাধ্যমে গঠনতন্ত্র সংশোধন করবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তা করেনি। এ কারণেই তাদের সময় নির্ধারণ করে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। কোনো দলের গঠনতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে নির্বাচন কমিশনে সে দলের নিবন্ধন থাকতে পারে না।
ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মাহফুজা আকতার স্ব^াক্ষরিত চিঠিতে জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্রের ২ এর (৩), ৫ এর (৩), ৬ এর (৪), ৭ এর (১-৪), ১১ এর (২), এবং ১৮ এর (৪ এর ছ) ধারাগুলো সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী জামায়াতের গঠণতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় দলটিতে তাদের গঠনতন্ত্রের প্রস্তাবনাও সংশোধনের আহবান জানায় ইসি।

সূত্র জানায়, এর আগেও তিনবার জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য ইসির পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়। ইসির আহ্বানে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দলটির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় কমিশনের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় একই চিঠিতে।


বিকল্পধারা সম্পর্কে জানা যায়, দলটির গঠনতন্ত্রের ৩ এর ৪-৩০ (খ) ধারা আরপিও পরিপন্থি। এ ধারায় বলা হয়েছে, দলের মনোনীত ১০ জন প্রেসিডিয়াম সদস্য থাকবে। কিন্তু আরপিওতে সব পর্যায়ে নির্বাচিত কমিটি থাকার কথা বলা হয়েছে। জাতীয় পার্টির সমস্যা তাদের গঠনতন্ত্রের ২১ (৪) ধারা নিয়ে। এ ধারায় বলা হয়েছে, তৃণমূল কমিটির সুপারিশের বাইরেও প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ড এখতিয়ার থাকবে। কিন্তু এধরণের ক্ষমতা আরপিও পরিপন্থি। অন্যান্য দলগুলোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। এর আগে এসব দলের কয়েকটি গঠনতন্ত্র সংশোধন করে আলাদা কাগজে লিখে আগের গঠনতন্ত্রে আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিয়েছে। কমিশন এসব দলকে তাদের সংশোধিত গঠনতন্ত্রের ৩টি করে মুদ্রিত কপি জমা দিতে বলা হয়েছে।



রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রে ত্রুটি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবু হাফিজ বলেন, ৮টি দলেরই গঠনতন্ত্রে ত্রুটি রয়েছে। এদের সবাইকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের সময় দেওয়া হবে।

২২ নভেম্বর এনজিওদের নিয়ে ইসির সংলাপ : জাবেদ আলী


22 b‡f¤^i GbwRI‡`i wb‡q Bwmi msjvc : Rv‡e` Avjx
wjsKb gvngy`

XvKv, 13 b‡f¤^i : wbe©vPb Kwgkbvi weª‡MwWqvi †Rbv‡ij Ae. †gv: Rv‡e` Avjx e‡j‡Qb, AvMvgx 22 b‡f¤^i GbwRI‡`i wb‡q msjv‡c em‡e wbe©vPb Kwgkb (Bwm)| †hme GbwRI‡`i m‡½ Kwgkb KvR K‡i †Kej Zv‡`i wb‡qB G msjvc n‡e| Avi G gv‡mi †k‡li w`‡K wZbfv‡M ivR‰bwZK `j¸‡jvi m‡½ Bwmi msjvc n‡e e‡jI wZwb Rvbvb|

g½jevi wbe©vPb Kwgkb mwPevj‡q Rv‡e` Avjx Zvi Kvh©vj‡q mvsevw`K‡`i m‡½ AvjvcKv‡j G K_v e‡jb|

Rv‡e` Avjx e‡jb, A_©‰bwZK m¤úK© wefv‡Mi m‡¤§jb Kÿ Lvwj _vKv mv‡c‡ÿ G gv‡mi †k‡li w`‡K ivR‰bwZK `j¸‡jvi m‡½ Bwmi msjvc n‡e| G msjvc wZbfv‡M n‡e e‡jI wZwb Rvbvb| wZwb e‡jb, ivR‰bwZK `j¸‡jvi g‡a¨ cÖ_g av‡c †Rv‡Ui m‡½, wØZxq av‡c gnv‡RvU Ges Z…Zxq av‡c Ab¨vb¨ `j¸‡jv wb‡q msjvc n‡e| GbwRI‡`i m‡½ msjv‡ci GK mßv‡ni g‡a¨B ivR‰bwZK `j¸‡jvi m‡½ msjvc Abyôv‡bi K_v Rvbvb wZwb|  

wZwb e‡jb, XvKv wmwU Ki‡cv‡ikb wbe©vPb (wWwmwm) wb‡q Av`vj‡Z gvgjv Pj‡Q| AvkvKwi gvgjv wb®úwZi gva¨‡g Bwmi c‡ÿB ivq Avm‡e| Av`vj‡Zi P~ovšÍ ivq †c‡jB wbe©vPb Kwgkb wWwmwm wbe©vP‡biI Av‡qvRb Ki‡e|

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১২

শিশু কিশোর চিত্রকাঙ্কন প্রতিযোগিতার কিছু ছবি





বসুধা শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার কিছু ছবি





বসুধা শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত


wjsKb gvngy`
wkï‡`i †Pv‡L AvMvgxi ¯^cœ| wkïivB n‡jv AvMvgxi fwel¨Z| wkïiv n‡Z Pvq AvMvgx w`‡bi mybvMwiK| wkï‡`i ga¨ †_‡KB †ewi‡q Avm‡e wek¦ e‡iY¨ wPÎwkíx| hv‡`i is Zzwji AvuP‡o evsjv‡`k we‡k¦i Kv‡Q Av‡iv †ewk cwiwPZ n‡q IV‡e| Rvb‡e ¯^vaxbZv ¯^vaxKv‡i bv ejv kZ Mí|
wkï wK‡kvi‡`i AdzišÍ G m¤¢vebv Kv‡R jvMv‡Z Zv‡`i g‡a¨ ggZ¡‡eva I †`k‡cÖwgK bvMwiK ˆZwii jÿ wb‡q ¯^vaxbZv w`em Dcj‡¶ cÖvq AvovB nvRvi wkï-wK‡kvi wk¶v_©x‡`i AskMÖn‡Y emyav wkï-wK‡kvi wPÎv¼b cÖwZ‡hvwMZv AbywôZ n‡q‡Q| MZKvj ïµevi weKv‡j XvKv wek¦we`¨vj‡qi PviæKjv Abyl` cÖv½‡b wKÛviMv‡U©b GWz‡Kkb †mvmvBwUi D‡`¨v‡M G cÖwZ‡hvwMZv AbywôZ nq| cÖwZ‡hvwMZvq AskMÖnbKvix cÖ‡Z¨K cÖwZ‡hvwM‡K emyavi cÿ †_‡K †mŠRb¨ cyi®‹vi †`qv nq| wZbwU MÖæ‡c wef³ G cÖwZ‡hvwMZvq cÖ_g wZbRb‡K cÖvBReÛ, †µ÷ I mb`cÎ †`qv n‡e| GQvov cÖwZ MÖæ‡ci cÖ_g 20 Rb‡K †µ÷ I mb`cÎ cÖ`vb Kiv n‡e| wPÎv¼b evQvB K‡i wkMwMiB †miv cÖwZ‡hvMx‡`i bvg †NvlYv I cyi®‹vi †`qv n‡e|
wkï wK‡kvi‡`i G wPÎv¼b cÖwZ‡hvwMZvi Dcw¯’Z wQ‡jb wek¦we`¨vj‡qi PviæKjv Abyl‡`i wWb Aa¨vcK  †gv gZjye Avjx| we‡KBGm Gi †Pqvig¨vb Aa¨vcK jvqb G †K Gg dRjyj n‡Ki mfvcwZ‡Z¡ Abyôv‡b ¯^vMZ e³e¨ iv‡Lb Abyôv‡bi AvnŸvqK I we‡KBGm Gi wmwbqi hyM¥ gnvmwPe †`ŠjZ `v‡qb iv‡d| dRjyj nK e‡jb, ï×Zv I my›`‡ii PP©v gvbyl‡K cÖK…Z gvbyl wn‡m‡e M‡o †Zv‡j| wkíPP©v G‡¶‡Î mnvqK f~wgKv cvjb Ki‡Z cv‡i| wPÎv¼b wkï - wK‡kvi‡`i †gavi weKv‡k mnvqK| Abyôv‡b Dcw¯’Z wQ‡jb emyav weìvm© wjwg‡U‡Wi weÁvcb wbg©vZv KvRx Bwjqvm K‡jøvj, we‡KBGm Gi gnvmwPe †gvt Avkivd Avjx †gvjøv, hyM¥ gnvmwPe †ZŠwn`yj Bmjvg gvZxb, wmwbqi fvBm †Pqvig¨vb †Mvjvg iveŸvbx, wbe©vnx gnvmwPe kwn`yj Bmjvg knx`yjøvn cÖgyL|