বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১

the editor of banglabazar patrika

the editor of daily banglabazar patrika munjur ahsan chowdhuryis speaker......................

the editor of daily banglabazar patrika munjur ahsan chowdhury is speaker......................

বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১১

বেসরকারি মেডিকেলে বৈধ ভর্তি বাণিজ্য !


‡emiKvwi ‡gwW‡K‡j ‰ea fwZ© evwYR¨ !
jvMvgnxb fwZ© evwY‡R¨ w`‡knviv wk¶v_©x AwffveK

wjsKb gvngy`
‡emiKwi †gwW‡K‡j fwZ© wb‡q Pj‡Q ˆea fwZ© evwYR¨ ! wbqg bxwZ bv _vKvq j¶ j¶ UvKv nvwZ‡q wb‡”Q †emiKvwi †gwW‡Kj bv‡gi wk¶v e¨emvqxiv|  
†LvR wb‡q Rvbv †M‡Q, PjwZ wk¶ve‡l© ‡emiKvwi ‡gwW‡K‡j fwZ©‡Z cÖwZ wk¶v_©xi KvQ ‡_‡K ‡gwW‡Kj¸‡jv Av`vq Ki‡Q me©wbæ 10 ‡_‡K 20 jvL UvKv ch©š—| MZ eQ‡ii Zzjbvq AwaKvsk ‡gwW‡Kj fwZ© wd evwo‡q‡Q GK ‡_‡K `yB jvL UvKv| wb‡R‡`i †Lqvj Lywkg‡Zv †gwW‡Kj¸‡jv wk¶v_©x‡`i wewfbœ evnvbvq nvwZ‡q wb‡”Q jvL jvL UvKv| ZzjbvgyjK fv‡jv Ggb cÖwZôv‡b UvKv Av`v‡qi cwigvY Av‡iv †ekx| jvMvgnxb fwZ© wd w`‡Z wM‡q AwffveKiv w`kvnviv n‡q c‡o‡Qb|
Gw`‡K miKvwi ‡gwW‡Kj K‡j‡R MZ 31 A‡±vei †kl n‡q‡Q| G mgq †kl nIqvi Av‡MB wewfbœ ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡j‡R Av‡e`‡bi ‡kl ZvwiL wba©viY Kivq ‡¶vf cÖKvk K‡i‡Qb ¯^v¯’¨ Awa`dZ‡ii Kg©KZ©viv| Zviv ej‡Qb, GwU wk¶v_©x‡`i Pv‡c ‡d‡j ‡ewk UvKv Av`v‡qi Ac‡KŠkj|
AwffveKiv ej‡Qb, miKvwi ‡gwW‡Kj K‡jR¸‡jvq fwZ©i my‡hvM bv ‡c‡q Zviv A‡bKUv eva¨ n‡qB ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡j‡R fwZ© Kiv‡”Qb| wKš‘ GB cÖwZôvb¸‡jv GKKvjxb I gvwmK fwZ© wd, we‡bv`b, ‡Ljvayjv, jvB‡eªwi wd I Dbœqb e¨qmn wewfbœ Lv‡Zi ARynv‡Z AwZwi³ UvKv Av`vq Ki‡Q|
we‡klÁiv GRb¨ ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡j‡R wk¶v_©x‡`i fwZ© wd wba©vi‡Y miKv‡ii mywbw`©ó bxwZgvjv bv _vKv‡K `vqx K‡i‡Qb| we‡klÁiv Rvbvb, cÖwZ eQiB cÖwZôvb¸‡jv wb‡R‡`i B‡”Qg‡Zv wba©viY Ki‡Q jvMvgnxb fwZ© wd| PjwZ (2011-12) wk¶ve‡l© miKvwi-‡emiKvwi ‡gwW‡K‡j GKB cÖ‡kœ fwZ© cix¶v AbywôZ nq| cix¶vq 51 nvRvi 900 wk¶v_©xi g‡a¨ 38 nvRvi 500 Rb ‡gwW‡Kj K‡j‡R fwZ©i my‡hvM ‡c‡q‡Qb| cix¶vq hviv 200 b¤^‡ii g‡a¨ 120 ‡c‡q‡Qb ZvivB fwZ©i my‡hvM jvf K‡i‡Qb|
GeQi ivRavbxi nwj d¨vwgwj ‡iWwµ‡m›U ‡gwW‡Kj K‡jR nvmcvZvj wk¶v_©x cÖwZ fwZ© wd wba©viY K‡i‡Q GKKvjxb 14 jvL 95 nvRvi UvKv| MZ eQi wQj 13 jvL 95 nvRvi UvKv| bvg cÖKv‡k Awb”QyK GK AwffveK evsjvevRvi cwÎKv‡K Rvbvb, wZwb Zvi ‡g‡q‡K m¤úwË wewµ K‡i G ‡gwW‡K‡j fwZ© Kiv‡”Qb| gwZwSj AvBwWqvj ¯‹zj A¨vÛ K‡j‡Ri Av‡iK ‡gavex QvÎ kvnx‡bi gv w`jkv` Aviv †eMg Rvbvb, Zvi Avgvi g‡Zv ‡hme Awffve‡Ki `ywU mš—vb i‡q‡Q, Zv‡`i ‡ewk wecv‡K co‡Z n‡”Q| ‡Q‡j‡K GKwU fv‡jvgv‡bi ‡emiKvwi ‡gwW‡K‡j fwZ© Kiv‡Z Kó K‡i n‡jI wZwb I Zvi ¯^vgx Rxe‡bi me cyuwR e¨q Ki‡Qb|
wkK`vi DB‡gÝ ‡gwW‡Kj K‡j‡R 16 jvL 72 nvRvi, nwj d¨vwgwj ‡gwW‡Kj K‡j‡R 15 jvL, B÷ I‡q÷ ‡gwW‡Kj K‡j‡R 13 jvL, Beªvwng ‡gwW‡Kj K‡j‡R 13 jvL Qq nvRvi, Gbvg ‡gwW‡Kj K‡j‡R 14 jvL, b`©vb© B›Uvib¨vkbvj ‡gwW‡Kj K‡j‡R mv‡o 12 jvL, Av`-Øxb ‡gwW‡Kj K‡j‡R 11 jvL 98 nvRvi, DËiv DB‡gÝ ‡gwW‡Kj K‡j‡R 13 jvL 25 nvRvi, mvnveywÏb ‡gwW‡Kj K‡j‡R 14 jvL, KwgDwbwU ‡gwW‡Kj K‡jR 11 jvL 95 nvRvi UvKv fwZ© wd wba©vi‡Yi Z_¨ cvIqv ‡M‡Q|
Rvbv ‡M‡Q, fwZ© wdi Ici wk¶v_©x‡`i mv‡o 4 kZvsk f¨vU w`‡Z nq| cÖwZgv‡m ‡eZb K‡jR‡f‡` cvuP ‡_‡K 10 nvRvi UvKv ch©š—, Avevmb wd eve` w`‡Z n‡e `yB ‡_‡K cvuP nvRvi UvKv| me wgwj‡q GKRb wk¶v_©x‡K ‡emiKvwi ‡gwW‡K‡j cov‡Z cÖvq 30 jvL UvKv LiP nq|
bvg cÖKv‡k Awb”QyK †emiKvwi †gwW‡Kj K‡j‡Ri GKRb fvicÖvß Aa¨¶ G e¨vcv‡i e‡jb, ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡jR¸‡jvq fwZ©‡Z miKv‡ii ‡Kv‡bv wbqš¿Y ‡bB| wWwR ‡nj_ (WvB‡i±‡iU ‡Rbv‡ij Ae ‡nj_ mvwf©m) G e¨vcv‡i wb‡`©kbv bv w`‡j ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡jR¸‡jv GKKfv‡e fwZ© wd Kgv‡Z ‡Kv‡bv c`‡¶c wb‡Z cv‡i bv| Z‡e wZwb `vwe K‡ib, ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡jR¸‡jv Pj‡Q miKv‡ii Aby`vb Qvov| A_P GLvbKvi wk¶K‡`i ‡eZb GK jv‡Li wb‡P bq| Gi m‡½ cÖwZwU ‡gwW‡K‡ji wbR¯^ cÖvwZôvwbK feb wbg©vY, jvB‡eªwi, wk¶v_©x‡`i eB, e¨envwiK hš¿cvwZ Ges ‡gwW‡K‡ji Kg©KZ©v-Kg©Pvix‡`i ‡eZb-fvZv wk¶v_©x‡`i UvKvq w`‡Z n‡”Q| ‡m Kvi‡Y cÖwZ eQiB wd evov‡bv n‡”Q|
¯^v¯’¨ Awa`dZ‡ii cwiPvjK L›`Kvi ‡mdv‡qZ Dj­vn Rvbvb, mviv‡`‡k Aby‡gvw`Z 44wU ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj K‡jR Ges 13wU ‡W›Uvj K‡jR i‡q‡Q| mswk­ó‡`i wb‡q ‡emiKvwi ‡gwW‡Kj¸‡jvi fwZ© I gvwmK wd wba©vi‡Y miKvi wZb eQi Av‡M GKwU KwgwU MVb K‡i| KwgwU‡Z fwZ© wd AvU jvL I gvwmK mv‡o Pvi nvRvi UvKvi ‡ewk bv Kivi mycvwik M„nxZ nq| wKš‘ c‡i GB wm×v‡š— KvR nqwb| Z‡e wZwb e‡jb, ‡`‡ki Av_©-mvgvwRK ‡cÖ¶vcU we‡ePbv K‡i fwZ© wd wba©viY Kiv DwPZ|

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১১

আসছে ‘অর্থনীতি প্রতিদিন’

আসছে ‘অর্থনীতি প্রতিদিন’



একটি নতুন অর্থনৈতিক দৈনিক বাজারে আসছে। নাম ‘অর্থনীতি প্রতিদিন’। অফিস নেয়া হয়েছে কাওরানবাজারে। একটি ভবনের তিনটি ফ্লোরে এখন ডেকোরেশন চলছে। ডেকোরেশনও শেষ পর্যায়ে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতি প্রতিদিনের একজন সিনিয়র সাংবাদিক।
পত্রিকাটির মালিক হিসেবে রয়েছেন আবদুল হক। উল্লেখ্য, তিনি বাংলাভিশন টেলিভিশন চ্যানেলেরও চেয়ারম্যান। উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরো আছে আরএকে গ্রুপ।
অর্থনীতি প্রতিদিনের প্রধান সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন আতিকুল আলম। তিনি দীর্ঘদিন সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের ঢাকা ব্যুরো চিফ হিসেবে কাজ করেছেন। বাংলাভিশনের চেয়ারম্যান আবদুল হক পত্রিকাটির সম্পাদক। ফজলুল বারী পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক। তিনি দৈনিক ইনকিলাবের বিজনেস এডিটর ছিলেন। নিউজ এডিটর হিসেবে যোগ দিয়েছেন নয়া দিগন্তের অতিরিক্ত বার্তা সম্পাদক হুমায়ুন সাদেক চৌধুরী। যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সমর সরকার। এর আগে তিনি অধুনালুপ্ত আজকের কাগজে ছিলেন। আরো দু’জন যুগ্ম বার্তা সম্পাদক যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন পত্রিকাটির একজন সিনিয়র সংবাদকর্মী। সিটি এডিটর হিসেবে আছেন মাকসুদ হায়দার চৌধুরী। তিনি এর আগে কাজ করেছেন বাংলাদেশ অবজারভার ও আজকের কাগজে। অর্থনীতি প্রতিদিনের সম্পাদকীয় বিভাগের প্রধান মজিদ মাহমুদ। চিফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দিয়েছেন সুলতান মাহমুদ বাদল। তিনি ইসলামিক টিভির চিফ রিপোর্টার ছিলেন।
  অর্থনৈতিক পত্রিকা হলেও অর্থনীতি প্রতিদিনে অন্যসব বিষয়কেও গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানা যায়। বলা হচ্ছে, পত্রিকাটি হবে ২০ পৃষ্ঠা। তবে এটি চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থনীতি প্রতিদিনের একটি সূত্র।
  মালিক পক্ষ ডিসেম্বরে পত্রিকাটি বাজারে আনতে চাইছেন। বর্তমান প্রস্তুতিতে মনে হয় না ডিসেম্বরে পত্রিকাটি বাজারে আসতে পারবে। তবে জানুয়ারি যাতে অতিক্রম না করে সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সজাগ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।  উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে তিনটি অর্থনৈতিক দৈনিক রয়েছে- ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস, আমাদের  অর্থনীতি ও বণিক বার্তা।

ভর্তিতে শর্তারোপ সংবিধান বহির্ভূত ও মেধার অবমূল্যায়ণ

‡hvM¨Zv _vKv ¯^‡Ë¡I ˆelg¨g~jK kZv©‡ivc 
msweavb ewnf~©Z I †gavi Aeg~j¨vq‡Yi kvwgj
                                                      -Aa¨vcK W. †PŠayix gvngy` nvmvb
ÔXvwe‡Z gv`ivmv QvÎ fwZ©‡Z ‰elg¨g~jK kZ©v‡ivcÕ kxl©K evsjv‡`k gv`ivmv QvÎKj¨vY cwil‡`i D‡`¨v‡M AvR weKvj 3.00Uvq XvKv wi‡cvU©vm© BDwbwU wgjbvqZ‡b †Mvj‡Uwej ˆeVK AbywôZ n‡q‡Q| cwil‡`i mfvcwZ nv‡dR gwnDwÏb gvmy‡gi mÂvjbvq, evsjv‡`k gv`ivmv wk¶v‡ev‡W©i mv‡eK †iwR÷ªvi Aa¨vcK gvbm~i“i ingvb Gi mfvcwZ‡Z¡ G‡Z cÖavb AwZw_ wn‡m‡e Dcw¯’Z wQ‡jb XvKv wek¦we`¨vj‡qi mv‡eK wm‡bU m`m¨, dv‡g©wm Abyl‡`i mv‡eK Wxb, wewmGmAvBAvi Gi mv‡eK ‡Pqvig¨vb Aa¨vcK W. †PŠayix gvngy` nvmvb| we‡kl AwZw_ wn‡m‡e e³e¨ iv‡Lb ZvÕgxi“j wgj­vZ Kvwgj gv`ivmvi Aa¨¶ gvIjvbv hvBbyj Av‡e`xb, ˆ`wbK BbwKjv‡ei mn‡hvMx m¤úv`K Rbve †gvevq`yi ingvb, XvKv wek¦we`¨vj‡qi Aviwe wefv‡Mi mn‡hMx Aa¨vcK W. †hvev‡qi gynv¤§` Gnmvbyj nK, QvÎKj¨vY cwil‡`i mv‡eK mfvcwZ Rbve Avãym meyi gvZzeŸi|
cÖavb AwZw_ Zvi e³‡e¨ e‡jb, XvweÕi K‡qKwU wWcvU©‡g‡›Ui ˆelg¨g~jK wm×v‡š—i  gva¨‡g gv`ivmv wk¶v_x©iv †hvM¨Zv _vKv ¯^‡Ë¡I G‡`‡ki m‡e©v”P we`¨vcx‡Vi ¸i“Z¡c~Y© bqwU wel‡q fwZ©i my‡hvM †_‡K ewÂZ n‡”Q, hv msweavb ewnf©yZ I †gavi Aeg~j¨vq‡Yi kvwgj| gv`ivmv QvÎiv G‡¶‡Î b¨vqvbyM AvPi‡Yi cÖZ¨vkx| Zv‡`i G `vwe †hŠw³K| wZwb gv`ivmv Qv·`i mv‡_ GKvZ¥Zv †cvlY K‡i e‡jb, KZ©„c¶ †R‡b ey‡SB gv`vivmv Qv·`i eyw×e„wËKfv‡e †VKv‡bvi Rb¨B G ai‡Yi kZv©‡ivc K‡i‡Q| mfvcwZi e³‡e¨ Aa¨vcK gvbm~i“i ingvb e‡jb, KZ©„c¶ A‡bK chv©‡jvPbv K‡iB `vwLj I Avwjg‡K h_vµ‡g Gm.Gm.wm I GBP.Gm.wmÕi mggvb cÖ`vb K‡i‡Q| GZ`¯^‡Ë¡I gv`ivmv Qv·`i D”Pwk¶vi †¶‡Î AwZwi³ kZ©v‡ivc m¤ú~Y© ˆelg¨g~jK I A‡hŠw³K| we‡kl AwZw_i e³‡e¨   Aa¨¶ hvBbyj Av‡e`xb e‡jb, Bmjv‡gi wei“‡× avivevwnK loh‡š¿i Ask wn‡m‡eB G kZv©‡ivc Kiv n‡q‡Q| my`„p Av‡›`vjb Qvov Gi mgvavb n‡e bv| Rbve †gvevq`yi ingvb e‡jb, cÖwZ eQi †hfv‡e bZzb bZzb kZv©‡ivc Kiv n‡”Q, GLbB Zv cÖwZ‡iva bv Ki‡j fwel¨‡Z mgm¨v AviI Nbxf~Z n‡Z cv‡i| ZvB wek¦we`¨vjq KZ©„c‡¶i DwPZ GLbB Zvi myôz mgvavb Kiv| Ab¨v‡b¨i g‡a¨ Dcw¯’Z wQ‡jb gv`ivmv QvÎKj¨vY cwil‡`i †m‡µUvix iwdKzj Bmjvg, cÖPvi m¤úv`K Aveyj nv‡mg †gvj­v cÖgyL|

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে শর্তারোপ করে মানবাধিকার লক্সঘন হচ্ছে

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে শর্তারোপ করে মানবাধিকার লক্সঘন হচ্ছে


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ শর্তারোপ করে চরমভাবে মানবাধিকার লক্সঘন করছে। নিয়ম নীতি ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাদরাসা শিার্থীদের ভর্তির েেত্র খোড়া যুক্তি দেখিয়ে ভর্তি থেকে বিরত রাখতে চাইছে। এ অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাহারের জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য বক্তারা মাদরাসা শিার্থীদের আহŸান জানান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ই্উনিটি মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’ আয়োজিত শিা আমার সাংবিধানিক অধিকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদরাসা ছাত্র ভর্তিতে বৈষম্যমূলক শর্তারোপ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশিষ্ট শিাবিদরা এসব কথা বলেন।
গোলটেবিল বৈঠকে বাংলাদেশ মাদরাসা বোর্ডের সাবেক রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মানসুর“র রহমান এর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সভাপতি হাফেজ মুহিউদ্দিন মাসুম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের সাবেক ডীন অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন তা’মির“ল মিল­াত কামিল মাদরাসার অধ্য যাইনুল আবেদীন, দৈনিক ইনকিলাবের সহযোগী সম্পাদক মোবায়দুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক ড. যোবায়ের মো. এহসানুল হক, সংগঠনের সাবেক সভাপতি আব্দুস সবুর মাতুব্বর। 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চৌধুরী মাহমুদ হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শর্তারোপ করে মাদরাসা ছাত্রদের ভর্তির েেত্র বৈষম্য নিরসনে সরকার ও সংশি­ষ্ট প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত। মাদরাসার ছাত্ররাও যোগ্য তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকগুলো গুর“ত্বপূর্ণ বিভাগের শিক রয়েছেন যারা মাদরাসা থেকে পাস করেছেন।
তাদের যোগ্যতার ব্যাপারেতো কখনো প্রশ্ন ওঠেনি। তাহলে কোন যুক্তিতে মাদরাসা ছাত্রদের মেধাকে দাবিয়ে রাখতে চায়। মাদরাসা ছাত্রদের মেধা মূল্যায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি সাবজেক্ট থেকে শর্ত তুলে নিয়ে ভর্তির েেত্র সমান অধিকার প্রদানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তিনি জোর দাবি জানান।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, মাদরাসা ছাত্রদের তাদের অধিকার পেতে চাইলে প্রকাশ্যে জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। সভা সেমিনার দিয়ে কখনো কোন অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
অধ্য যাইনুল আবেদীন বলেন, নরম কথা দিয়ে কোনদিন কাজ হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না। তাই প্রকাশ্যে মাদরাসা শিার্থীদের আন্দোলন করতে হবে। তিনি বলেন, যারা মাদরাসা শিার্থীদের শর্তারোপ করে গুর“ত্বপূর্ণ সাবজেক্ট থেকে বিরত রাখার আইন করছে তারাও জানে এর আইনগত ও যুক্তিক কোন ভিক্তি নেই। তাই মুখে কথা বললে হবে না। তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে বাধ্য করতে হবে অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, যারা সংবিধান থেকে আল­াহর নাম মুছে দিতে চায় তারা কোনদিনই ইসলাম ও মাদরাসাকে মেনে নিতে পারবে না।
মোবায়দুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে শর্তারোপ একটি রাজনৈতিক বিষয়। রাজনৈতিকভাবেই এর সমাধান করতে হবে। এসময় তিনি মাদরাসা ছাত্রদের বৃহত্তর আন্দোলন করে সরকারের দৃষ্টি এদিকে নিয়ে আসার জন্য আহŸান জানান।
বৈঠকে বক্তারা অবিল¤ে^ মাদরাসা ছাত্রদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির েেত্র অবৈধ শর্তারোপ তুলে নিয়ে সমান অধিকার বা¯—বায়নের মাধ্যমে মানবাধিকার রায় এগিয়ে আসার আহŸান জানান।

সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১১

বিদ্যালয়ে পড়াশোনা বিদ্যালয়েই ঘুম


বিদ্যালয়ে পড়াশোনা বিদ্যালয়েই ঘুম

পঞ্চগড় প্রতিনিধি | তারিখ: ০১-১১-২০১১

শিক্ষার্থীরা কুপিবাতি আর হারিকেনের আলোয় বারান্দায় পড়ছে। এরপর রাতের খাবার। তারপর সেখানেই ঘুম। আবার পরদিন ক্লাস। এই দৃশ্য পঞ্চগড় সদরের সীমান্তঘেঁষা রতনীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় শতভাগ পাশের জন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকেরা।
২৯ অক্টোবর রাত নয়টায় ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেল, শিক্ষার্থীরা বারান্দায় দল বেঁধে পড়ছে। পঞ্চম শ্রেণীর ৩২ জন ছাত্রছাত্রী। পৃথক দুটি কক্ষে রাত যাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিভাবকেরা তিনবেলা খাবার পৌঁছে দিয়ে যান বিদ্যালয়ে। একজন স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষক পড়ান আর একজন নারী ছাত্রীদের সঙ্গে বিদ্যালয়ে রাত কাটান। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকেরা চাঁদা দিয়ে এ দুজনের সম্মানীর ব্যবস্থা করেছেন। ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে পাঁচজন শিক্ষক ও ২৫০ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে।
বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. ফারুক হাসান বলেন, ‘বৃত্তি ও শতভাগ পাসের নিশ্চয়তার জন্য পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছি। এই উদ্যোগের ফলে গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৪ জন শিক্ষার্থীর সবাই প্রথম বিভাগে পাস করেছে। ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবকদের সঙ্গে সভা করে এবার গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। গ্রামের বেশির ভাগ অভিভাবক দরিদ্র হওয়ায় সন্তানদের জন্য বাড়িতে শিক্ষক রেখে আলাদাভাবে পড়ানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। অনেক অভিভাবক নিরক্ষর। তাঁরা নিজেরা সন্তানদের পড়াতে পারতেন না। এই কারণে রাতে পাঠদান শুরু করা।’
পঞ্চগড় এমআর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘এলাকার ছেলেমেয়েরা যেন ভালোভাবে পড়তে পারে, তাই রাতে পাঠদানে সহযোগিতা করছি।’ তিনি পড়াশোনার তদারক করেন। স্কুলে ছাত্রদের সঙ্গে রাতও কাটান। তিনি বলেন, দল বেঁধে পড়তে সুবিধা হয়। একে অন্যকে সহযোগিতা করতে পারে।
স্কুলের বারান্দায় কুপিবাতি দিয়ে পড়ছে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র মো. রুবেল ইসলাম। সে জানায়, বাবা কাউছার আলম রিকশাভ্যান চালান। হারিকেন কেনার সামর্থ্য নেই। রুবেলের মতো আরও অনেকে কুপিবাতির আলোয় পড়েন।
জান্নাতুল বেগম ও শিমু আকতার বলে, ‘আমরা বিদ্যালয়ের বারান্দায় দল বেঁধে পড়াশোনা করি। এতে আমাদের কোনো সমস্যা হয় না। একে অন্যের সহযোগিতা নিই। না পারলে স্যার শিখিয়ে দেন। পড়াশোনা শেষ করে রাত ১০-১১টার দিকে আমরা বিদ্যালয়ের দুটি আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ি। এ জন্য বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় কাঁথা-বালিশ নিয়ে এসেছি। এভাবে পড়তে খুব ভালো লাগছে।’
অভিভাবক ফয়জুল ইসলাম একজন রিকশাভ্যানের চালক। মেয়েকে রাতের খাবার দিতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘স্কুলে একপ্রকার বিনি পয়সায় শ্রম দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েদের রাতে বিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন। আমরা অভিভাবকেরা খুবই খুশি।’
প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম বলেন, বিদ্যালয়ে রেখে রাতে পাঠদানের ফলে প্রতিবছরই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাসের হার বাড়ছে। শিক্ষার্থীরা ভালো নম্বর পেয়ে পাস করছে। গত বছর পর্যন্ত এ বিদ্যালয় থেকে ২০ জনের সবাই প্রথম বিভাগে পাস করেছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার ইমাম বলেন, ‘এই বিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগ খুবই ভালো। বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।’