মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১১

পাবলিক ভার্সিটিগুলোতে আবাসন সমস্যা প্রকট

পাবলিক ভার্সিটিগুলোতে আবাসন সমস্যা প্রকট
লিংকন মাহমুদ,  ঢাবি প্রতিনিধি
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলছে চরম আবাসন সঙ্কট। মোট শিক্ষার্থীর মাত্র ৪৫ ভাগ হলে থাকতে পারছে। বাকি ৫৫ ভাগেরই আবাসন সুবিধা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি সংসদের চলতি অধিবেশনেই পেস করা হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সমস্যা প্রকট। এ সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার এরই মধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য দুটি পৃথক হল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) একটি ছাত্রী হল, যশোর, রংপুর এবং পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্যও হল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ইউজিসির প্রতিবেদনে দেখা যায়, মাত্র ৪৫ দশমিক ০৬ ভাগ শিক্ষার্থীর আবাসন সুবিধা নিশ্চিতের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তবে বাস্তব এবং বিরাজমান আসল চিত্র আরও ভয়াবহ ও করুণ। আবাসন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের ভেতরে-বাইরে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই আবাসন সঙ্কটকে পুঁজি করেই লেজুড়বৃত্তি ছাত্র রাজনীতি গড়ে উঠেছে। সাধারণ ছাত্ররা ব্যবহৃত হচ্ছে। হলে থাকতে হলে তাদের ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের মিছিলে যেতে হয়। না হলে সিট হারানোর পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েক সপ্তাহে এ ধরনের ৬টি ঘটনা ঘটেছে। আর এতে নতুনভাবে সংযোজিত হলো শিক্ষক নির্যাতনও।
ইউজিসির তথ্যমতে, বিগত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে চলছে এ অবস্থা। শিক্ষার্থীদের ক্রমাগত চাপে দিনে দিনে আবাসন সঙ্কটের হার বাড়ছেই। সূত্রমতে, শুধু শিক্ষার্থীই নয়, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের আবাসন সঙ্কটও তীব্রতর হয়েছে। মোট শিক্ষকের মাত্র ২৪ ভাগ, ১৫ ভাগ কর্মকর্তা ও ১৪ ভাগ কর্মচারী এ সুবিধার আওতায় আছেন।
ইউজিসির রিপোর্ট মতে, ২০০৯ সালে দেশের ২৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে গড়ে মাত্র শতকরা ৪৫ দশমিক ০৬ জন আবাসন সুবিধা পেয়েছেন। অবশ্য আগের বছরের তুলনায় এটা প্রায় ৩ ভাগ বেশি। তবে, বিগত দশ বছরে সুবিধার হার পৌনঃপুনিক বেড়েছেও প্রায় ১০ ভাগ। তবে এটি চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। যেমন ২০০৫ সালে গড়ে ৩৩ জন পেয়েছিল এই সুবিধা। ২০০৪ সালে গড়ে ৩২ জন পেয়েছিলেন এই সুবিধা।
জানা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনটিতেই সময়মতো শিক্ষাবর্ষ সম্পন্ন হয় না। একটি ব্যাচ পাস করে বের হওয়ার আগেই অন্য একটি ব্যাচ নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি করানো হয়। ফলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র সেশনজট, সময়মতো পরীক্ষা না হওয়া ইত্যাদি কারণে শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে পারছে না। এছাড়া ছাত্রনেতারা হল দখল করে রাখে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলে ছাত্রলীগ নেতা রেজা সেকান্দার একা একটি রুম দখল করে আছে। অথচ ওই হলে একই ধরনের রুমে ৮ জন থাকে। তার ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। কয়েকদিন আগে তাকে উচ্ছেদ করতে গিয়ে প্রভোস্টকে গলাধাক্কা খেতে হয়েছে। শিক্ষক লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি অছাত্র রেজা সেকান্দার। এ ঘটনায় রেজা সেকান্দারসহ চার ছাত্রলীগ কর্মীকে হল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তারা হলেই থাকছে। এরকম ঢাবির ১৩টি ছাত্র হলের সব হলেই ছাত্রলীগের হাতে প্রায়ই শিক্ষক লাঞ্ছিত ও ছাত্র নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। প্রতিটি হলেই ৫০ থেকে ৮০ কক্ষ রয়েছে ছাত্রলীগের সরাসরি দখলে। ধারাবাহিকভাবে সিট সঙ্কট বাড়ার এসবও অন্যতম কারণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করা জন্য শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে নিরাপত্তার কারণে ছাত্রীদের সুবিধা সর্বাগ্রে নিশ্চিত করতে হয়। ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে থাকার জন্য আশপাশে বাসা ভাড়াও মেলে না। বিষয়গুলো সরকারের নজরে আনা হবে বলে জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সঙ্কটের বিষয়টি তাদের নজরে রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের সুবিধা আগেভাগে নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে তারা শিগগিরই পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের চরম অবস্থা : ইউজিসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবচেয়ে চরম সঙ্কটে রয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীও আবাসন সুবিধা পাচ্ছে না। অথচ এই ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ২৩ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এরপর সবচেয়ে কষ্টে আছে কুমিল্লা এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। ওই দুইটিতে যথাক্রমে ১৮ ও ১৯ ভাগ আবাসন সুবিধার মধ্যে রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩, জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২, খুলনায় ২৬ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ ভাগ শিক্ষার্থী পাচ্ছে এই সুবিধা। দেশের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটে আবাসিক সঙ্কট প্রকট। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ ভাগ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাচ্ছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে মাত্র ৪৮ ভাগ শিক্ষার্থী হলে থাকছে। দেশের একমাত্র উচ্চতর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭ ভাগ, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৮ ভাগ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৪ ভাগ, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৯ ভাগ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা ভোগ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১ ভাগ শিক্ষার্থী থাকছে হলে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পেয়ে আসছিল। এখন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য কোনো আবাসিক সুবিধা নেই। বর্তমানে এর ১৭৯ ছাত্রী মানবেতর জীবন-যাপন করছে। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের সংখ্যা আশাতীত হারে বাড়ছে। আবাসন সুবিধাবঞ্চিত বেশি ছাত্রীরা। তাদের টিভি রুম, মিলনায়তনে থাকতে হচ্ছে। বর্তমানে মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাচ্ছে। এ দুটি হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০১ সালে দেশের মাত্র ১২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৩১২ জন। যার মধ্যে মাত্র ৩৭ হাজার ২৬৭ জন অর্থাত্ ৪০ দশমিক ৩৭ ভাগ ছাত্রছাত্রী আবাসিক সুবিধা পেয়েছে। গত ১০ বছরের ব্যবধানে সারাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১টিতে। এখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলো এবং এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৮২ হাজার ২২৬ জন। এর মধ্যে মাত্র ৬০ হাজার ৪৫৪ জন আবাসন সুবিধা পাচ্ছে। যা মোট শিক্ষার্থীর মাত্র ৪৫ দশমিক ০৬ ভাগ।
শিক্ষক-স্টাফদেরও সমস্যা : বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন সঙ্কটও তীব্র। ইউজিসির ২০০৯ সালের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৩১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ হাজার ২৪১ জন শিক্ষককের মধ্যে আবাসিক সুবিধা পেয়েছেন ২ হাজার ২৩৩ জন। যা মোট শিক্ষককের মাত্র ২৪ ভাগ। এছাড়া এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ হাজার ৪৯৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। যাদের মাত্র ১৫ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন সুবিধা ভোগ করছেন। ২০০৩ সালে ২৯ দশমিক ৮১ ভাগ শিক্ষক এবং ১৬ দশমিক ৪২ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী এ সুবিধার অধীন ছিল।

ঢাবি এলাকায় সাবলেট সমস্যা আবাসিক এলাকাগুলোতে বিজ্ঞাপন দিয়ে সাবলেট দেওয়া হয়

ঢাবি এলাকায় সাবলেট সমস্যা
আবাসিক এলাকাগুলোতে বিজ্ঞাপন দিয়ে সাবলেট দেওয়া হয়
লিংকন মাহমুদ,  ঢাবি প্রতিনিধি
নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকার সুনাম আছে। কিন্তু এখানেও অপচয় হচ্ছে গ্যাস, পানি, বিদ্যুতের। বিনষ্ট হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ বিভিন্ন বাসা ভাড়া দেওয়ার হিড়িক পড়েছে। কিছু বাসা মেস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রত্যেক ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে বছর শেষে লাখ লাখ টাকা আদায় করছেন বাড়ির বরাদ্দপ্রাপ্তরা। অন্যদিকে অনেক শিক্ষক আবাসন সংকটে বাসা বরাদ্দ পাচ্ছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় রুম ভাড়া দেওয়ার নিয়ম না থাকলেও বরাদ্দপ্রাপ্তরা ভাড়া দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির অপচয় হচ্ছে। এতে আবাসিক এলাকার পরিবেশ বিপর্যস্ত হচ্ছে।
এস্টেট অফিস থেকে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রায় ১৩শ' বাসা রয়েছে। এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর ও দক্ষিণ নীলক্ষেত, শিববাড়ী এবং আজিমপুরে অবস্থিত। এছাড়া কয়েকটি হলে কর্মচারীদের জন্য ব্যাচেলর কোয়ার্টার রয়েছে। শিক্ষকদের সমমানের সিনিয়র কর্মকর্তারা বাসা পেয়ে থাকেন। নিজেদের আত্মমর্যাদার কারণে কর্মকর্তারা কম বাসা ভাড়া দেন। তবে অধিকাংশ কর্মচারী তাদের বাসা ভাড়া দেওয়া অব্যাহত রেখেছেন। প্রতি বছর বাসা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ পেলে তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হয়। কয়েকজন কর্মচারীর বেতনও বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে সেই শাস্তি আমলে নিচ্ছেন না কর্মচারীরা। তারা বাসা ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
জানা গেছে, ঢাকা নগরীতে প্রকট আবাসন সংকটকে পুঁজি করে কোনো কোনো বাড়ির বরাদ্দপ্রাপ্তরা মেস বানিয়ে ভাড়া দেন। এসব মেসে বেশিরভাগই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজের ছাত্রী বা কর্মজীবী নারীরা থাকেন। ঢাবির প্রথম বর্ষের ছাত্রী, যারা হলে সিট পাচ্ছেন না, তারাও উচ্চহারে ভাড়া দিয়ে থাকতে
বাধ্য হচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত বাসাগুলো সবচেয়ে বেশি সাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার অনেক বাসায় নীলক্ষেতের দোকানিরা বেশি টাকায় সাবলেট হিসেবে ভাড়া নিয়ে থাকছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর নীলক্ষেত আবাসিক এলাকায় ১০৮টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ফ্ল্যাটে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বরাদ্দ নিয়ে বসবাস করছেন। কিছু কিছু বাসার বরাদ্দপ্রাপ্ত মালিকরা পুরো ফ্ল্যাটই ভাড়া দিয়ে নিজেরা পরিবারসহ বারান্দায় থাকছেন। এতে করে মাস শেষে তারা একটা মোটা অঙ্কের টাকা আয় করছেন। ভাড়াটিয়াদের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও গ্যাসের অপচয় হচ্ছে প্রতিদিনই। কোনো কোনো বাড়ির মালিক ভাড়া দেওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ির ভেতর ও বাইরের কাঠামো নষ্ট করে ফেলেছেন। কেউ কেউ বারান্দা টিন দিয়ে ঘিরে বিল্ডিংয়ের সৌন্দর্য নষ্ট করেছেন। কোনো রুমে ৭-৮টি চৌকি ফেলে মেস বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি ১৮শ' থেকে দুই হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। আবার একটি রুম ভাড়া দেওয়ার জন্য ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা অ্যাডভান্স নেওয়া হচ্ছে।
বাসা বরাদ্দেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। এই আবাসিক এলাকায় প্রায় সব ফ্ল্যাট মালিকই একাধিক রুম ভাড়া দিয়ে বছর শেষে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, অনেক বাসা সাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আছে। এসব কারণে গত বছর বেশকিছু বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হয়। অভিযুক্ত কয়েকজনের বেতনও বন্ধ রাখা হয়েছিল। কেউ বাসাকে সাবলেট দিয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবারও বাসা ভাড়া সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এগুলো খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বরাদ্দ বাতিল করা হবে।

ঢাবিতে ৪শ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত



wjsKb gvngy`,  Xvwe cÖwZwbwa
Avevmb mgm¨v wbimb I wk¶v_©x‡`i GKv‡WwgK Dbœq‡bi Rb¨ 4'k ‡KvwU UvKvi Dbœqb cwiKíbvi c«v_wgK wm×vš— wb‡q‡Q XvKv wek¦we`¨vjq KZ©…c¶| kwbevi wek¦we`¨vj‡qi ‡Kvlva¨¶ Aa¨vcK W. gxRvbyi ingv‡bi mfvcwZ‡Z¡ c«Kí c«Yqb KwgwUi GK mfvq c«v_wgK wm×vš— ‡bqv nq|

mfv ‡k‡l Aa¨vcK W. gxRvbyi ingvb e‡jb, Ri“wi Dbœqb c«K‡íi AvIZvq GKwU we‡kl c«Kí c«Yq‡bi Rb¨ mfvq wKQy wel‡q c«v_wgK wm×vš— ‡bqv n‡q‡Q| G cwiKíbvi g‡a¨ wek¦we`¨vj‡qi GKv‡WwgK I ‡fŠZ Dbœqb Aš—fy©³ _vK‡e| ‡fŠZ Dbœq‡bi AvIZvq Av‡iv PviwU bZyb nj wbg©vY Kiv n‡e| Gi g‡a¨ `ywU Qv·`i I `ywU QvÎx‡`i| Gi gva¨‡g wek¦we`¨vj‡qi AvevwmK mgm¨v cy‡ivcywi mgvavb Kiv m¤¢e n‡e| Avi jvB‡e«ixi Rb¨ 10Zjv feb wbg©vY Kiv n‡e e‡j Rvbvb wZwb|

gxRvbyi ingvb Av‡iv e‡jb,"GKv‡WwgK Dbœq‡bi AvIZvq wek¦we`¨vj‡qi c«wZwU wefv‡Mi Rb¨ eB‡Kbv, j¨ve‡iUwii hš¿cvwZ ‡Kbv BZ¨vw` Aš—fy©³ _vK‡e|"

XvKv wek¦we`¨vj‡qi Ri“wi Dbœqb c«K‡íi wel‡q wek¦we`¨vj‡qi cwiKíbv wefv‡Mi cwiPvjK Rwni“j nK e‡jb, c«v_wgKfv‡e G Ri“wi Dbœqb c«K‡íi wel‡q Av‡jvPbv Kiv n‡q‡Q| wm×vš— c«v_wgK nIqvq UvKvi cwigvY cwiewZ©Z n‡Z cv‡i e‡j Rvbvb wZwb|

নানা সমস্যায় জর্জরিত ঢাবির ছাত্রী হল মেসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা

নানা সমস্যায় জর্জরিত ঢাবির ছাত্রী হল
মেসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীরা

লিংকন মাহমুদ,  ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে সমস্যার শেষ নেই। সীমাহীন সমস্যার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে এখানে শিক্ষার পরিবেশ। চরম সিট সংকটে ভুগছে ছাত্রীরা। নির্ধারিত সংখ্যার কয়েকগুণ বেশি ছাত্রী অবস্থান করছে প্রতিটি রুমে। ডাইনিং থেকে সরবরাহ করা নিম্নমানের পচা-গলা খাবার তাদের জীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ। তীব্র পানি সংকট ছাত্রীদের নিত্যসঙ্গী। বিদ্যমান হাজারো সমস্যার কারণে ৪টি ছাত্রী হল ও একটি হোস্টেলের সাড়ে ৯ সহস্রাধিক আবাসিক ছাত্রীর শিক্ষাজীবন নাজুক হয়ে পড়েছে। রোকেয়া হল, শামসুন্নাহার হল, কুয়েত মৈত্রী হল এবং বেগম ফজিলাতুন্নেসা হল ও নবাব ফয়জুন্নেসা ছাত্রী নিবাসে সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ তাদের হলে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েই যেন দায়িত্ব শেষ করে ফেলেছে। কি সমস্যা বা সম্ভাবনা এখানে রয়েছে, তারা লেখাপড়া করতে পারছে কি-না ইত্যাদি দেখার যেন কেউ নেই। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির আনুপাতিক হার সমান হলেও সুযোগ-সুবিধা থেকে পিছিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। যেখানে ছাত্রদের জন্য ১২টি আবাসিক হল সেখানে ছাত্রীদের জন্য রয়েছে মাত্র ৪টি আবাসিক হল। সঙ্গত কারণেই ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীদের সমস্যা বেশি।

ছাত্রীদের হলগুলোর মধ্যে প্রথমেই উলেস্নখযোগ্য ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের প্রথম ও সর্ববৃহৎ আবাসিক হল রোকেয়া হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এ হলে ছাত্রী সংখ্যা ৬ হাজার ২শ' ২৪ জন উলেস্নখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬১৩ জন আবাসিক এবং ৪৬১১ জন অনাবাসিক ছাত্রী রয়েছে। কিন্তু এ হলে বর্তমানে বাস করছে প্রায় ৪ হাজার ছাত্রী।

হলের আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবছর এ হলে অধিভুক্ত হওয়া ৫ শতাধিক ছাত্রীর মধ্যে বহুছাত্রী প্রথমদিকে অনেকটা আত্মগোপন করে হলে বসবাস করে। স্থান সঙ্কুলানের অভাবে এ হলে নিউ বিল্ডিং'র নিচতলায় হল রুমটি গণরুম হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। যেখানে বাস করে ৬০ থেকে ৭০ জন ছাত্রী। এই হলে বিশাল বিল্ডিং ও একটি ফাঁকা মাঠ অযথা পড়ে আছে। মেধাস্কোর অনুযায়ী ছাত্রীদের আবাসন সুবিধা দেয়া হলেও অধিকাংশই লবিং-এর জোরে সিট পান বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রথমবর্ষের ছাত্রীদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন শিক্ষকরা। হলের টয়লেটের খারাপ অবস্থা। গোসলখানার অবস্থাও করুণ। ডাইনিং ও ক্যান্টিনের ব্যবস্থা থাকলেও নেই কোন ফ্রিজ। যে কারণে একদিনের বাজার তিনদিন পর্যন্ত খেতে হয় ছাত্রীদের। হলে একটি সাইবার সেন্টার থাকলেও প্রতি ঘন্টার জন্য ছাত্রীদের পরিশোধ করতে হয় ১২ টাকা। পাশাপাশি রয়েছে রাজনৈতিক নেত্রীর চাপ। সরকার দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাধ্য করা হয় জুনিয়র ছাত্রীদের।

অবশ্য রোকেয়া হলের ছাত্রলীগ সভাপতি নাসরীন খানম ইত্তেফাককে বলেন, হলে কোন ছাত্রীদের রাজনৈতিকভাবে চাপ দেয়ার প্রশ্নই আসে না। স্বাধীন ও ইচ্ছামতো হলে থাকছে ছাত্রীরা। তবে হলে থাকার বাড়তি সুবিধা থাকলেও অসুবিধাই বেশি। কারণ ছাত্রীর তুলনায় রুম কম। চার সিটের রুমে কমপক্ষে ৭-৮জন থাকতে হয়। অনেক সময় আরো বেশি ছাত্রীকে একসঙ্গে থাকতে হয়। প্রভোস্ট খোঁজ নেন না ছাত্রীদের। নোংরা ও নিম্নমানের খাবার খান ছাত্রীরা।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী এ হল পরিচালনা করা হচ্ছে। হলে কোন সমস্যা নেই। সিটগুলো মেধার ভিত্তিতে দেয়া হয়। ছাত্রীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ছাত্রী নিবাস শামসুন্নাহার হল। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ হলে ৭ হাজার ১৪৫ জন ছাত্রীর নামে সিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৬শ' ৮৮ জন আবাসিক, ৬শ ১২ জন দ্বৈতাবাসিক এবং ৫ হাজার ৮শ' ৪৫ জন অনাবাসিক। সব মিলিয়ে বর্তমানে এ হলে বাস করছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ছাত্রী। হলে বসবাসের জন্য রয়েছে মোট ৬টি গণরুম। এসব রুমের প্রতিটিতে ৩০-৩৫ জন করে ছাত্রী বসবাস করে।

হলের ছাত্রীরা জানান, হলের ১৪১, ২৪১, ৩৪১, ৪৪১ ও ৫৪১ নং রুমকে গণরুম করা হয়েছে। এই রুমগুলো রাজনৈতিক নেত্রীরা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এছাড়াও হলের ১০২ নং রুমও মিনি গণরুম হিসাবে ব্যবহূত হচ্ছে। আগে ৮ সিটের এই রুমটি বিদেশী ছাত্রীদের জন্য নির্ধারিত থাকলেও এখন সাধারণ ছাত্রীদের বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। হলের বিশাল গেস্ট রুমের একপাশে করা হয়েছে সাইবার সেন্টার। সংকুচিত হয়েছে গেস্ট রুম। মাস্টার্সের ছাত্রীদেরও ডাবলিং করতে হয় ।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক নাজমা শাহীন ইত্তেফাককে বলেন, হলে ধারণ ক্ষমতার বেশি ছাত্রীকে সিট বরাদ্দ দেয়ার কারণে আবাসন সমস্যা রয়েছে। এ জন্য ডাবলিং'র ব্যবস্থা করা হয়েছে।

১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল। এ হলে আবাসিক সিটের সংখ্যা ৫৩৬টি। দ্বৈতাবাসিক সিট ২৬৩। এছাড়াও অনাবাসিক ১ হাজার ৪৩২। এই হলের মোট ছাত্রীর সংখ্যা ২ হাজার ২৩১ জন। দ্বৈতাবাসিকসহ এ হলে বর্তমানে দেড় হাজারের অধিক ছাত্রী বসবাস করছে। এ হলে গণরুমের সংখ্যা ৪টি। প্রতিটি রুমে কমপক্ষে ১৮ থেকে ২০ জন ছাত্রী বসবাস করেন। হলের ছাত্রীরা অভিযোগ করেন, আবাসন সংকট নিরসন করার লক্ষ্যে হলে শিকদার ভবন নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত হলেও এটি এখন শিক্ষকদের আবাসিক কোয়ার্টার করার চিন্তা-ভাবনা চলছে। ফলে সংকট আরো ঘনীভূত হবে। হলে মশার উপদ্রব অনেক বেশি। হলের ছাত্রী আসমা বলেন, হলের দুইটা পড়ার রুম থাকলেও তাতে ৪০ জনের বেশি ছাত্রী পড়তে পারে না। রাত দেড়টার পরে হলের পড়ার রুম বন্ধ করে দেয়া হয়। এজন্য পরীক্ষার সময় গণরুমে বসবাসকারী ছাত্রীদের মারাত্মক সমস্যা হয়। মৈত্রী হলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, আমি প্রথম বর্ষের ছাত্রী হওয়ায় এখনো হাউজ-টিউটরদের দায়িত্ব সম্পর্কে জানি না। তবে এতটুকুই বুঝি যে, তাদের অনেক 'পাওয়ার' আছে। অপর ছাত্রী সুবর্ণা বলেন, সমস্যায় জর্জরিত পুরো হল। ডাইনিংয়ে খাবার খেতে গেলে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়। উচ্চদাম, নিম্নমানের খাবার। তাও আবার পরিমাণে এত কম যে, আগে না গেলে সে বেলা না খেয়ে থাকতে হয়। সহস্রাধিক ছাত্রী হলে থাকলেও মাত্র ৩০ সিটের দুটি রিডিং রুম আছে হলে। হল লাইব্রেরিতে নেই পর্যাপ্ত এবং প্রয়োজনীয় বই।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ফরিদা বেগম ইত্তেফাককে বলেন, শিকদার ভবনটি ছাত্রীদের জন্য। তবে ছাত্রীদের তদারকি করার জন্য সহকারী আবাসিক শিক্ষকদের জন্য কিছু বাসা তৈরি করা হয়েছে। দেড়টার পর ছাত্রীরা পড়াশোনা করে না বলে রিডিং রুম বন্ধ রাখা হয়। তাদের অভিযোগ ঠিক নয়।

মেয়েদের সবচেয়ে ছোট হল হলো বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হল। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এ হলের ৫০৮টি সিটে বসবাস করছে প্রায় ১ হাজার ছাত্রী। হলে ৫টি গণরুম রয়েছে। এর মধ্যে মোহনা নামে একটি গণরুমে ৪০ থেকে ৫০ জন ছাত্রী অবস্থান করে। এছাড়াও হলের ১১৯ থেকে ১২২ নং কক্ষ পর্যন্ত গণরুম রয়েছে। প্রতিটি গণরুমে ১৫ থেকে ২০ জন অবস্থান করে। এই হলে ডাইনিংয়ে খাবারের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। হলে বিনোদনের জন্য শুধু একটি টিভি রয়েছে। নেই কোন গেমস রুম। হল প্রভোস্ট ঠিকমতো হলে আসেন না বলে অভিযোগ করেন ছাত্রীরা। ছাত্রীরা বলেন, রুমে দুইটার বেশি কম্পিউটার রাখা যায় না।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক গুলশান আরা লতিফা ইত্তেফাককে বলেন, এখন সবচেয়ে বেশি খেলাধুলা হয় ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে। অন্য হলের চেয়ে এ হল অনেক এগিয়ে। প্রশাসন অনেকটা গতিশীল। খাবারের মান অনেক উন্নত হয়েছে।

ছাত্রীদের বড় একটি অংশ মেসে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশকে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি নিয়ে থাকতে হয় মেসে। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন তারা। হলের সিট সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে তারা মেসে আশ্রয় নেন। তারপরেও তারা সবসময় থাকেন মানসিক দুশ্চিন্তায়। হলের বাইরে মেসে থাকা কেয়া বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে মেসে আছি। এখনো সিট পাই নি। কবে হলে উঠতে পারবো তার কোন ঠিক নেই।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ইত্তেফাককে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের আবাসন সংকটের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। কার্জন হলের পাশে রেলওয়ের জমিতে ১ হাজার আসনবিশিষ্ট ছাত্রী হলের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে। শামসুন্নাহার ও জগন্নাথ হলের মধ্যবর্তী স্থানে একটি ছাত্রী হল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও আরো একটি ছাত্রী হল নির্মাণের চিন্তা-ভাবনা চলছে। এই হলগুলো নির্মিত হলে ছাত্রীদের আবাসিক সংকট অনেকটা কমবে বলে তিনি জানান।

ঢাবিতে গাড়ি দুর্ঘটনা : মৃত্যুর দুয়ারে ১ শিশু






Xvwe‡Z Mvwo `yN©Ubv : g„Zz¨i `yqv‡i 1 wkï
wjsKb gvngy`,  Xvwe cÖwZwbwa:
gvÎ cvuP eQ‡ii ‡QvÆ wkï dvwng| gv‡qi mv‡_ eo fvB‡K ¯‹z‡j †cЇQ w`‡Z G‡m AKv‡j c½yZ¡ eiY Ki‡Z n‡jv| ¸iæZi AvNvZ nvZ,cv I gv_vq| Wvb cv‡qi nvo¸‡jv ¸‡ov n‡q †M‡Q e‡j Rvbvbv‡jb Wv³viiv| wK †`vl Zvi! wK Aciva! cÖv‡P¨I A·‡dvW© e‡j L¨vZ G wek¦we`¨vj‡q Avi KZ `yN©Ubv! NvZK PvjK Avi KZ cvi cv‡e! AvBb‡K e„×v½ywj †`wL‡q Zviv Avi KZ eyK dywj‡q †eov‡e|  Rvbv hvq MZKvj eyaevi XvKv wek¦we`¨vj‡qi BDwbfvwm©wU j¨ve‡ivUwi ¯‹z‡ji mvg‡b mvKvj 9 Uvi mgq N‡U G NUbv| gv‡qi nvZ a‡i eo fvB‡qi ¯‹y†ji mvg‡b `vov‡bv| wb‡Ri ¯‹zj eÜ ZvB fvB‡K ¯‹z‡j D‡Ïk¨ evmvq hvIqv| gv‡qi nvZ †_‡KD †hb †K‡o wbj NvZK cÖvB‡fUKvi ( XvKv †g‡U&ªv:M-13-2723)| cÖvq 30 MR iv¯Ív wkïwUi Dci w`‡q †U‡b wnP‡o MvwowU †ec‡ovqv n‡q Pj‡jv| gv‡qi MMb we`vwi wPrKv‡i †jvKRb Rgv n‡q †Mj| wkïwUi i‡³ †f‡m †Mj wcP Xvjv cvKv iv¯Ív| G mgq Zv‡K D×vi K‡i XvKv †gwW‡Kj K‡jR nvmcvZv‡j fwZ© K‡i| Ae¯’vi AebwZ n‡j c‡i  Zv‡K c½y nvmcvZv‡j fwZ© Kiv nq | †m GLb g„Zy¨i mv‡_ jo‡Q| NvZK PvjK †ejvj †nv‡mb| GB cÖwZ‡e`b †jLv ch©šÍ †m kvnevM _vbvq eÜx e‡j Rvbv hvq| wKš‘ AvnZ c‡ÿ †KD Av‡mwb e‡j †Kvb gvgjv nqwb| `vwqZ¡iZ cywjk Kg©KZ©v Rvbvq †KD gvgjv bv Ki‡j cywjk evw` n‡q gvgjv Ki‡e| G e¨vcv‡i XvKv wek¦w&e`¨vj‡qi cÖ±i mvBdzj Bmjvg Lvb e‡jb, G e¨vcviwU wb‡q Avgvi Kv‡Q  Awf‡hvM G‡mQ| NUvbvq  AwffveK cÿ‡K m‡e©v”P mnvqZv Kiv n‡e| 

নবায়নযোগ্য শক্তি বিষয়ক জাতীয় সেমিনার ও প্রদর্শনী ৬ এপ্রিল শুরু হচ্ছে



bevqb‡hvM¨ kw³ welqK RvZxq †mwgbvi I cÖ`k©bx 6 GwcÖj ïi“ n‡”Q
wjsKb gvngy`,  Xvwe cÖwZwbwa
XvKv wek¦we`¨vjq bevqb‡hvM¨ kw³ M‡elYv †K›`ª Ges evsjv‡`k †mŠikw³ mwgwZi †hŠ_ D‡`¨v‡M “Technical and Economic Challenges for Taking Solar Power to all” kxl©K †mwgbvi AvMvgx 6 GwcÖj, 2011 eyaevi mKvj 10:30Uvq bevqb‡hvM¨ kw³ M‡elYv †K‡›`ª AbywôZ n‡e| GKB mv‡_ 6-8 GwcÖj 2011 †mŠikw³ cÖhyw³ welqK RvZxq cÖ`k©bxi Av‡qvRb Kiv n‡e| 
†mwgbv‡i bevqb‡hvM¨ kw³ M‡elYvi Dci †`‡ki wewfbœ wek¦we`¨vjq, M‡elYv cÖwZôvb I e¨emvwqK cÖwZôv‡bi M‡elKe„›` cÖeÜ Dc¯’vcb Ki‡eb| cÖ`k©bx‡Z †`‡ki kxl©¯’vbxq wewb‡qvMKvix cÖwZôvb¸‡jvI AskMÖnY Ki‡e| cÖ`k©bx‡Z †mŠikw³ cÖhyw³i bZyb †cÖvWv± ev g‡Wj¸‡jv cÖ`k©‡bi e¨e¯’v _vK‡e| cÖ`k©bx mKvj 9:30Uv ‡_‡K mܨv 6:00 Uv ch©š— mK‡ji Rb¨ Db¥y³ _vK‡e|
                                               

সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০১১

du sajeda

ïay wgwQj wgwUs‡q mxgve× bq, QvÎjxM‡K e½eÜzi BwZnvm Rvb‡Z n‡e
wjsKb gvng`
msm` Dc‡bZv I AvIqvgx jx‡Mi mfvcwZ gÛjxi m`m¨ ‰mq`v mv‡R`v †PŠayix e‡j‡Qb, QvÎjxM‡K ïay wgwQj wgwUs‡q mxgve× _vK‡j Pj‡e bv| e½eÜz †Kv_v †_‡K G‡m‡Q, Zvi DrcwË I `k©b wK G m¤ú‡K© Rvb‡Z n‡e| KviY QvÎjx‡Mi BwZnvm AvIqvgx jx‡Mi †P‡q cÖvPxb|  MZKvj †mvgvevi XvKv wek¦we`¨vjq wUGmwm wgjbvqZ‡b evsjv‡`k QvÎjxM Av‡qvwRZ ¯^vaxbZvi 40 eQi c~wZ© Dcj‡¶¨ GK Av‡jvPbv mfvq cÖavb AwZw_i e³‡e¨ wZwb Gme K_v e‡jb|
wZwb e‡jb, eZ©gvb Ae¯’vq mevB jy‡U-cy‡U LvIqvi †Póv Ki‡Q|  wKšÍ †kL nvwmbvi Wvbvi kw³i Kvi‡b Zv cvi‡Q bv, †m Wvbv n‡jv QvÎjxM| ¯^vaxbZvi ci A‡b‡K e›`yK Kvu‡a wb‡q ¶gZvq G‡m msweavb‡K wQbœ wfbœ K‡i‡Q| d‡j BwZnvm weK…Z n‡q‡Q| BwZnvm‡K myi¶vq †mevB‡K mZK© _vK‡Z n‡e| wZwb e‡jb, RvZxqZvev`x †Kvb †bZv‡KB KzPµxiv evuP‡Z †`qwb| e½eÜyI †mB KzPµx gn‡ji wkKvi n‡q‡Qb |
msMV‡bi †K›`ªxq mfvcwZ gvngy` nvmvb wic‡bi mfvcwZ‡Z¡ Av‡jvPbv mfvq e³e¨ iv‡Lb gyw³hy× welqK cÖwZgš¿x K¨v‡Þb (Ae:) Gwe ZvRyj Bmjvg, XvKv wek¦we`¨vj‡qi †cÖv-DcvPvh© Aa¨vcK nvi“b-Ai-iwk`, AvIqvgx jx‡Mi mvsMVwbK m¤úv`K Avn¤§` †nv‡mb|
K¨v‡Þb (Ae:) Gwe ZvRyj Bmjvg e‡jb, wRqvDi ingv‡bi mgq hLb msweavb iwPZ n‡q‡Q, ZLb wb‡R‡K ¯^vaxbZvi †NvlK wn‡m‡e `vwe K‡ibwb| GgbwK msweav‡b †NvlK wn‡m‡e wb‡Ri bvg mshyw³i K_vI  e‡jbwb, G †_‡K ¯úó †h wZwb ¯^vaxbZvi †Nvlbv †`bwb| wKšÍ eZ©gv‡b Zv‡K ¯^vaxbZvi †NvlK evbv‡bvi cvuqZviv Pj‡Q| e½eÜz‡K ¯^vaxbZvi †NvlK D‡j­L K‡i wZwb e‡jb, ïay evsjv‡`k bq c„w_exi cÖ‡Z¨KwU †`‡ki ¸i“Z¡c~Y© bw_c‡Î e½eÜz‡K ¯^vaxbZvi †NvlK wn‡m‡e AvL¨vwqZ Kiv n‡q‡Q| Bmjvgx `‡ji Av‡›`vjb‡K ûgwK w`‡q wZwb e‡jb, wKQy `vwo- Uzwc cov †jvK iv¯Ívq bvg‡e Avi Avgiv †_‡g hve Zv n‡Z cv‡i bv| Zv‡`i‡K †Kvb fq bq, Zv‡`i‡K K‡Vvi n‡¯Í †gvKvwejv Kiv n‡e|
XvKv wek¦we`¨vj‡qi †cÖv-DcvPvh© Aa¨vcK nvi“b-Ai-iwk` e‡jb, GKwU RvwZi gyw³i Rb¨ Aek¨B Zvi QvÎ ivRbxwZ _vKv DwPZ | e½eÜz †m †PZbv †_‡KB evsjv‡`k QvÎjxM cÖwZôv K‡i‡Qb|  weGbwcÕi ¯’vqx KwgwUi m`m¨ gI`y‡`i mgv‡jvPbv K‡I wZwb e‡jb, wZwb ûgwK w`‡q‡Qb msweav‡b e½eÜzi bvg ¯^vaxbZvi †NvlK wn‡m‡e D‡j­L Ki‡j Zviv msweav‡b G‡m Zv cwieZ©b Ki‡e| wKšÍ †m my‡hvM evsjvi RbMb Zv‡`I w`‡e bv| G mgq wZwb QvÎjxM‡K G wel‡q m‡PZb _vKvi Avnevb Rvbvb|
Abyôv‡b Ab¨vb¨‡`i g‡a¨ Dcw¯’Z wQ‡jb XvKv wek¦we`¨vj‡qi QvÎjx‡Mi mfvcwZ †kL †mv‡nj ivbv wUcy, mvavib m¤úv`K ev`kvmn QvÎjx‡Mi wewfbœ †K›`ªxq Ges nj kvLvi †bZ…©e„›`|